আমাদের সম্পর্কে - আল-কুরআন প্রচার সংস্থা
আমাদের পরিচয়

আমাদের সম্পর্কে

স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়ন এবং কুরআনের আলো ছড়িয়ে দিতে আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা।

পরিচিতি

আল-কুরআন প্রচার সংস্থা (আকপও), বাংলাদেশ

আল কুরআনের আলোকে সমাজের পিছিয়ে পড়া দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার মনোভাবের আলোকে একতাবদ্ধ করে স্থানীয় সম্পদের সুষ্ঠু ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং আর্থ-সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করে সুখী সমৃদ্ধশালী সমাজ গঠন করা। এই সংস্থা এমন একটি পরিবর্তিত সমাজের স্বপ্ন দেখে যেখানে সকল ধর্মের অসহায়, হতদরিদ্র, অবহেলিত, বঞ্চিত মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা ও উন্নত জীবন গঠন এবং দারিদ্র বিমোচনে ভূমিকা রাখা সম্ভব হয়।

বাস্তবসম্মত পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ ও কর্মসংস্থানে ভূমিকা রাখাই আমাদের মূল অঙ্গীকার।

আমাদের ভিশন ও মিশন:

• ভিশন: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক, মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

• মিশন: মাতৃভাষায় আল-কুরআনের বাণী পৌঁছে দেওয়া, প্রান্তিক ও দলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন করা এবং "দুর্নীতি বিরোধী সংগ্রাম পরিষদ" পরিচালনা করা।

আমাদের সম্পর্কে
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
মূল প্রেরণা

আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

কুরআন সর্বজয়ী সর্বজ্ঞানী মহান আল্লাহর বাণী। কুরআনের ভাষা ও বক্তব্য চিরন্তন, চির শাশ্বত ও চিরঞ্জীব। মানব সমাজের সাফল্য কিংবা ব্যর্থতা শুধুমাত্র আল কুরআনের অনুবর্তন কিংবা প্রত্যাখ্যানের মধ্যেই নিহিত। তাই আমাদের মূল লক্ষ্যসমূহ:

১. অরাজনৈতিক, অহিংস, নির্দলীয়, নিরপেক্ষ ও স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা হিসেবে কাজ করা।
২. মাতৃভাষায় কুরআনের বাণী প্রচারের মাধ্যমে ধর্মীয় ও সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করা।
৩. সকল ধর্মাবলম্বীর মানবতার কল্যাণ সাধন করে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা।
৪. “মাতৃভাষায় কুরআন বুঝুন— মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ুন” বার্তাটি ছড়িয়ে দেওয়া।
৫. বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের (বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরপ্রতীক, ভাষাশহিদ) স্মৃতি অম্লান রাখা।
৬. শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নামে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহ নিয়ে গঠনমূলক কাজ করা।
৭. নারী ও শিশুদের অধিকার রক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা।
৮. নারী, শিশু ও পারিবারিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক সচেতনতা তৈরি করা।
৯. প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলস্রোতে সম্পৃক্ত করতে নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ।
১০. প্রতিবন্ধীদের জন্য ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও চিত্তবিনোদনের প্রতিযোগিতা আয়োজন করা।
১১. সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামগ্রিক জীবনমান উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
১২. নিরক্ষরতা দূরীকরণে গণশিক্ষা ও শিশু শিক্ষা কার্যক্রম সুচারুভাবে পরিচালনা।
১৩. নারীদের জন্য সকল ক্ষেত্রে সমান অংশগ্রহণের পরিবেশ তৈরি ও সুনিশ্চিত করা।
১৪. সামাজিক ন্যায়বিচার, সম-অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া।
১৫. বেকার যুব ও যুব মহিলাদের কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি করা।
১৬. সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন বিষয়ে নাগরিকদের সচেতন ও তথ্য সংগৃহীত করা।
পরিচালনা ব্যবস্থা

আমাদের সাংগঠনিক কাঠামো

সংস্থাটির সামগ্রিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও তদারকির জন্য ৩টি প্রধান পরিষদ কাজ করে থাকে:

  • ✓
    সাধারণ পরিষদ: সকল সাধারণ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত সংস্থাটির সর্বোচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন পরিষদ।
  • ✓
    কার্যনির্বাহী পরিষদ: সাধারণ পরিষদ কর্তৃক নির্বাচিত ৭ সদস্য বিশিষ্ট মূল পরিচালনা কমিটি (মেয়াদ ৩ বছর)।
  • ✓
    উপদেষ্টা পরিষদ: সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান ও পরামর্শের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে গঠিত পরিষদ।
সাংগঠনিক কাঠামো
আমাদের সাথে যুক্ত হোন

যোগাযোগের ঠিকানা

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে সমাজসেবায় অংশগ্রহণে বা যেকোনো তথ্যের জন্য আমাদের অফিসে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।

প্রধান কার্যালয়: এস-২২, বাইতুল ফজল মসজিদ কমপ্লেক্স, নূরজাহান রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

কার্য এলাকা: সমগ্র বাংলাদেশ

আইনি স্বীকৃতি: স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ মূলক প্রতিষ্ঠানসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর আওতাধীন

যোগাযোগ